ক্যারিয়ার হিসেবে পাইথন কেন এত জনপ্রিয়?
পাইথন হলো ষষ্ঠ জনপ্রিয় টেকনোলজি। চার বছর ধরেই পাইথন তার এই জায়গা দখল করে রয়েছে, এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে । শুধু তা-ই নয়, মোস্ট ওয়ান্টেড প্রোগ্রামিং টেকনোলজির তালিকায় পাইথন রয়েছে ৩ নম্বরে। শীর্ষ টেকনোলজির তালিকায় পাইথন রয়েছে ৪ নম্বরে। বিভিন্ন সেক্টরে টপ পেয়িং টেকনোলজির তালিকায় পাইথন রয়েছে শীর্ষ দশের ভেতরেই। এখন দেখে নেব কোন-কোন বিশ্বসেরা কোম্পানি পাইথন ব্যবহার করে। ফাইল হোস্টিং সাইট ড্রপবক্স পাইথন ব্যবহার করে। ড্রপবক্সের ডেক্সটপ ক্লায়েন্ট পাইথনে তৈরি। সবচেয়ে বড় চমক হলো, গুইডো ভ্যান রস্যিউম বর্তমানে ড্রপবক্সে কর্মরত রয়েছেন। ফেসবুকের ইনস্টাগ্রামেও রয়েছে পাইথনের ব্যবহার। ডিসকাস, পিন্টারেস্ট, কোরা, বিটবাকেট, রেডিট, ডিগ সবগুলোই পাইথন দিয়ে তৈরি। মজিলা তাদের কিছু প্রজেক্টে পাইথন ব্যবহার করে, তা ছাড়া মজিলার অ্যাড-অন ও সাপোর্ট সাইট পাইথন দিয়ে তৈরি। গুগল নিজেই কিন্তু পাইথনের বিশাল বড়ো ইউজার। ইউটিউব গড়ে উঠেছে পাইথনের ওপর ভর দিয়ে। পাইথন হল অ্যাঞ্জেল-লিস্টে দ্বিতীয় সর্বাধিক চাহিদার দক্ষতা (অ্যাঞ্জেল-লিস্ট হল স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলির জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে এই কোম্পানিগুলি চাকরির প্রস্তাব দেয়, আর পাইথন প্রোগ্রামাররা সর্বোচ্চ বেতন পান।
পাইথন একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি এতটাই সিনট্যাক্স ফ্রেন্ডলি প্রোগ্রামিং ভাষা যে, ছোট বাচ্চারাও খুব সহজে পাইথন শিখতে পারবে। মানুষের মুখের ভাষার সাথে মিল রেখে এর ফাংশনগুলো তৈরি করা হয়েছে, যেন সহজে মানুষ মনে রাখতে পারে।
অন্যদিকে ডিমান্ডেড ডাটা সাইন্স শেখা যায় পাইথন দিয়েই খুব সহজেই
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ডেটা সায়েন্টিস্টদের বেতন তাদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে। সাধারণত, একজন ডেটা সায়েন্টিস্টের বেতন প্রতি মাসে ৫০,০০০ থেকে ১০০,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। তবে, একজন অভিজ্ঞ ডেটা সায়েন্টিস্টের বেতন প্রতি মাসে ১০০,০০০ থেকে ২০০,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
